সংবাদ শিরোনাম:
বোচাগঞ্জে সবজির বাজারে শীতের বার্তা, শিমের দাম চড়া এক মঞ্চে বিরামপুরের শিক্ষক সমাজ, বিশ্ব শিক্ষক দিবসে প্রাণের মিলন মেলা ‎ধানজুড়ি সেন্ট ফ্রান্সিস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ‎উদ্যোগে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপিত ” নাই অভিযোগ, নাই অভিমান ” 💔 কিশোরী ধর্ষণ মামলায় হিলিতে গ্রেপ্তার ২,পলাতক আরও ২ দিনাজপুরে ১,৩১৭ মণ্ডপ পূজার প্রস্তুতি চূড়ান্ত,উৎসবের অপেক্ষায় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা পরিদর্শনে এমপি মনজুরুল ইসলাম সংবাদের সাথে ছবি আছে ক্ষতিগ্রস্থ চৌহাটি ও কাজীপাড়া কমিটির সমন্বয়ে মত বিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে নিয়োগে স্থগিত রেখে উচ্চ আদালতের রায়ে নিয়োগ প্রদান না করায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মচারীদের বিরামপুরে ফুটবলের মহারণ, ২৬ দলের লড়াইয়ে শুরু খালেদা জিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপ” খানপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী মোঃ মোতাহার হোসেনের গণসংযোগ
বিরামপুরে নাবালিকা অপহরণ: দীর্ঘদিনেও উদ্ধার না হওয়ায় ক্ষোভ সন্তান ফিরে চায় পরিবার

বিরামপুরে নাবালিকা অপহরণ: দীর্ঘদিনেও উদ্ধার না হওয়ায় ক্ষোভ সন্তান ফিরে চায় পরিবার

এমডি রেজওয়ান আলী বুরো প্রধান:
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় এক নাবালিকা স্কুলছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আদালতে মামলা দায়েরের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মামলায় চারজনকে আসামি করা হয়েছে। বাদীপক্ষের অভিযোগ,দীর্ঘদিন ধরে উত্যক্তের পর পরিকল্পিত ভাবে বাড়ির সামনে থেকে স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার পর থেকে ওই ছাত্রী নিখোঁজ রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
আদালতে দায়ের করা দরখাস্ত সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শৈলান গ্রামের বাসিন্দা মোঃ রব্বানী তার নাবালিকা কন্যা মোছাঃ কনিকা আক্তার মৌকে অপহরণের অভিযোগ এনে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে,ভিকটিম স্থানীয় কাটলা হাইস্কুলের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী এবং তার বয়স প্রায় ১৪ বছর।
বাদীপক্ষ জানায়,জীবিকার তাগিদে ভিকটিমের বাবা মা ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকরি করেন। সে কারণে মেয়েটি গ্রামের বাড়িতে নানীর সঙ্গে বসবাস করত। এ সুযোগে স্থানীয় যুবক নয়ন ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে ওই ছাত্রীকে উত্যক্ত করত এবং প্রেমের প্রস্তাব দিত বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি পরিবার জানতে পেরে তাকে সতর্ক করলেও সে বিরত হয়নি বলে মামলার আরজিতে উল্লেখ রয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়,গত ৩ এপ্রিল শুক্রবার সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে ভিকটিমের নানী বাড়িতে না থাকার সুযোগে আসামিরা বাড়ির সামনে আসে। এ সময় তারা ভিকটিমকে নাম ধরে ডাকলে সে বাড়ি থেকে বের হয়। পরে প্রধান আসামি নয়ন ইসলাম অন্য আসামিদের সহযোগিতায় জোরপূর্বক তার মুখ চেপে ধরে একটি সাদা মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার সময় ভিকটিমের এক আত্মীয় বিষয়টি দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসতে থাকে। তবে এর আগেই অভিযুক্তরা দ্রুত মাইক্রোবাসযোগে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলে বাদীপক্ষ দাবি করেছে।পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও ওই ছাত্রীর সন্ধান পাননি। অভিযোগে বলা হয়েছে, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তদের বাড়িতে তালা ঝুলতে দেখা যায় এবং তারা পলাতক রয়েছেন। বাদীপক্ষ আশঙ্কা করছে,অপহরণের পর ভিকটিমকে জোরপূর্বক অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত করা হয়ে থাকতে পারে।
মামলার বাদী দাবি করেন,ঘটনার দুই দিন পর তারা বিরামপুর থানা গিয়ে মামলা করতে চাইলে থানা কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা দায়েরের পরামর্শ দেয়। পরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭/৩০ ধারায় আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। আদালতে দাখিল করা নথিতে বাদীপক্ষ ভিকটিমের জন্মনিবন্ধনের কপি ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপিও সংযুক্ত করেছেন বলে জানা গেছে। মামলায় আরও কয়েকজনকে সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনে অতিরিক্ত সাক্ষী উপস্থাপনের কথাও বলা হয়েছে।
এদিকে আলোচিত এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে অনেকেই দ্রুত ভিকটিমকে উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। সচেতন মহলের মতে,নাবালিকা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলার পর থেকে তাদের কয়েকজনকে এলাকায় দেখা যাচ্ছে না বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এবিষয়ে বিরামপুর থানার মামলা তদন্তকারী অফিসার এসআই এনামুল হক মুঠোফোনে জানান, বিষয়টি তদন্ত চলছে তবে তাদের মোবাইলে কোন প্রকার খোঁজ খবর না পাওয়ায় তাদের কে সনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানান। এবিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার জানান
আমার মেয়ে অনেক দিন যাবত অপহরণ হয়েছে আজ অবদি পর্ষন্ত আসামীদের গ্রেফতার না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেন। এবিষয়ে এলাকার জনসাধারণ জানান এতদিন হয়ে গেল ভুক্তভোগী তার মেয়েকে পেলনা। তারা আরও জানান পুলিশ পারে না এমন কাজ নাই তারা কেন এই মেয়েটিকে খুজে পাচ্ছেন না এর কারন কি। স্হানীয় থানা প্রশাসন জোরালো ভাবে কাজ করেন নাই,উক্ত বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। বর্তমানে আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে রয়েছে ভিকটিমের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি

Design & Development BY : ThemeNeed.com